• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Education Minister

কলকাতা

‘বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি নয়’, এসআরএফটিআই কাণ্ডে কড়া হুঁশিয়ারি জগন্নাথের

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে অশান্তির ঘটনায় এবার কড়া বার্তা দিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। আন্দোলনের নামে ভারতমাতার অপমান কিংবা স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত রবিবার এসআরএফটিআইয়ের অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের ওই অনুষ্ঠান ঘিরে আপত্তি জানান পড়ুয়াদের একাংশ। কেন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে এমন সংগঠনের অনুষ্ঠান হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।আয়োজকদের অভিযোগ, উত্তেজনার মধ্যে ভারতমাতার ছবি ও ব্যানার ছেঁড়া হয়। স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মারার অভিযোগও তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, পড়ুয়াদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, অনুষ্ঠানের বক্তৃতা নিয়ে আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং পরে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগগুলির সবকটি এখনও স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।অশান্তি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এসআরএফটিআইয়ের গেটের সামনে পড়ুয়া ও বাইরে থাকা লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে পাথর ও বোতল ছোড়াছুড়ির অভিযোগও সামনে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরে সোমবার ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতেই স্বামী বিবেকানন্দের ছবি নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রসঙ্গে মুখ খোলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যে বা যারা এমন কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, অভিযুক্তরা বামমনস্ক বা নকশালপন্থী হতে পারে, কিন্তু কোনও বাঙালি ছাত্র স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে লাথি মারতে পারে না।তবে মন্ত্রীর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য একটি প্রশ্নও সামনে এসেছে। এসআরএফটিআই অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশনের তরফে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতিকরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে রাজনৈতিক সংগঠনের অনুষ্ঠান ঘিরেই অশান্তির সূত্রপাত। ফলে এসআরএফটিআইয়ের ঘটনার সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রশ্নও জড়িয়ে পড়েছে।ঘটনার পর পুলিশের তরফে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পঞ্চসায়র থানায় অন্তত তিনটি এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেছে এবং এসআরএফটিআই কর্তৃপক্ষ ও অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগের ভিত্তিতেও মামলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অশান্তির ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে। আয়োজকদের তরফে চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করার কথা জানানো হয়েছিল। অন্য দিকে, পড়ুয়াদেরও আহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্য রয়েছে।এসআরএফটিআইয়ের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে। এক দিকে বিবেকানন্দের ছবি ও ভারতমাতার ছবি নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তের দাবি, অন্য দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক সংগঠনের অনুষ্ঠান নিয়ে প্রশ্নদুই বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।এখন পুলিশের তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে এবং অশান্তির ঘটনায় কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর। একই সঙ্গে এসআরএফটিআই অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশনের তোলা শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতিকরণের অভিযোগ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা ইডির

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতার ৬টি স্থানে ইডির তল্লাশি অভিযান। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতে, একজন পার্শ্ব শিক্ষকের বাড়িতে এবং ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগারওয়ালের বাড়িতে এবং অফিস সহ মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি-র ৬টি দল। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মিডল ম্যান প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে এদের নাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহেন্দ্র আগরওয়ালের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিল ইডি। মহেন্দ্র আগরওয়ালের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা সাদা করা হতো বলে ইডি সূত্রে খবর। বেশকিছু গুরুত্বপূর্ন নথি ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই মহেন্দ্র আগারওয়ালের সঙ্গে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

মার্চ ০৮, ২০২৪
রাজ্য

নিয়োগ প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শিক্ষামন্ত্রীর, চলে এল আদালত প্রসঙ্গ

শিক্ষক নিয়োগ জট কাটাতে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ৭ প্রতিনিধি। বৈঠকে ছিলেন কুণাল ঘোষও। ঘটা করে বৈঠক চলল ২ ঘন্টা। ফলাফল কী হল? সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকের পরও বাস্তবে অবস্থার তেমন বদল হচ্ছে কি? সেটাই মূল প্রশ্ন। এ দিনের বৈঠক শেষে বেরিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা দাবি করেছেন, তাঁরা নিয়োগের আশ্বাস পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে। আইনি জট কাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। ২২ ডিসেম্বর আবারও শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হবে।এসএলএসটি আন্দোলনের হাজারতম দিনে মাথার চুল কামিয়ে শিরোনামে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থী রাসমনি পাত্র। এদিনের বৈঠকে ছিলেন তিনি। বৈঠক শেষে রাসমনি বলেছেন, কোথায় জট, তা জানতে এসেছিলাম। আমাদের বলা হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে নিয়োগ দিয়ে বাড়ি পাঠানো হবে। কবে নিয়োগ সেটা ২২ তারিখ জানতে পারব। মাননীয়ার উদ্যোগে আশা করি আমরা দ্রুত স্কুলে ফিরতে পারব। জীবনটা বাঁচবে। আমরা খুবই খুশি হয়েছি আজকে।বৈঠকে উপস্থিত আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের এক প্রতিনিধি মতিউর রহমান বলেন, ১৬ মাস পর বৈঠক হল। কিছু দিন আগে অবধি বিভিন্ন দফতরের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা হচ্ছিল। আজকের বৈঠকে বুঝলাম দফতরগুলির মধ্যে সংযোগ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আইনি জট কাটিয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা এখন জানতে চাই সেই ফল কবে পাবো তার তারিখ চাই। আলোচনায় বলা হয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, তার রিপোর্ট দিতে হবে। আপাতত ২২ ডিসেম্বর সেই রিপোর্ট পেশের দিন ঠিক হয়েছে। ওই দিন মিটিংয়েই আমরা এ বিষয়ে জানতে পারবো। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে, সমস্ত আইনি জটিলতা কাটিয়ে যেন নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। মোট ৫৫৭৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকার কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার জট খুলবে।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, আইনি জটিলতা দ্রুত কাটবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দিতে পারবেন। উনিই চাকরি দেবেন। আমার জট কাটানোর চেষ্টা করছি। আদালত যা বলবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়োগ দিতে শুরু করব। সুপ্রিম কোর্টের একটি তারিখ পাওয়া নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেই জট কাটলেই নিয়োগ দেওয়া শুরু হবে।তবে নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মতলার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না আন্দোলন চলবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।নিয়োগের প্যানেলের মেয়াদ ১ বছর থাকে বলে জানিয়েছিলেন হাইকোর্টের আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এ প্রসঙ্গ উঠতেই চাকরিপ্রার্থীরা মেনে নেন যে কোনও স্বচ্ছ প্যানেলের মেয়াদ ১ বছরই থাকে। তবে একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, যে প্যানেল বিচারাধীন, তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয় না। সে কারণে চলতি মাসেও এই প্যানেল থেকেই চাকরি হয়েছে। তাই এ নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। কথা হয়েছে আইনি জটিলতা কাটানো নিয়ে। আমরা খুশি বৈঠকে। এই সমন্বয় থাকলে সমস্যা মিটবে। আমরাও দ্রুত নিয়োগ পাব।চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধি হয়ে সোমবার বিকাশ ভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুণাল ঘোষ। বৈঠক শেষে তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী চান, অভিষেক চান জটিলতা কাটুক। কিছু জটিল জায়গা রয়েছে। আইনের মাধ্যমে কাটাতে হবে। ওঁরা দাবি রাখছিলেন, সরকারের কিছু বাধ্যবাধকতা ছিল। আজকের বৈঠক ইতিবাচক, ফলপ্রসূ। আইনি জট কাটাতে সরকারের তরফে এসএসসির তরফে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আশা করা যায় জটিলতা কাটবে। কোথাও না কোথাও ভুল হয়েছিল। তার জন্য জটিলতা। অনেক ছেলেমেয়েকে ভুগতে হয়েছে। সমস্ত দিক সামলে সমাধানের পথ বার করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশ জেল কতৃপক্ষকে

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় অসুস্থ। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে এবার জেল কর্তৃপক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব মনে করাল আদালত। মঙ্গলবার বিচার ভবনে প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই জেল কর্তৃপক্ষকে আদালত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসায় যাতে কোনও ত্রুটি না হয় সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে।উল্লেখ্য, বিচার ভবনে আজ প্রাথমিকে নিয়োগে ইডির মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের হাজিরার কথা ছিল। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজির হননি অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দিছেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী। জেলে তাঁর অসুস্থতার চিকিৎসা চললেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।এদিন অর্পিতার সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা হয়েছে বিচারকের। তবে তাঁর আইনজীবী এদিন সওয়াল করতে গিয়ে জানান, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার জন্য উন্নত কোনও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। তবে আদালত অনুমতি দিলে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কম্যান্ড হাসপাতালেও তাঁর মক্কেলের চিকিৎসা হতে পারে।এরপরেই জেল কর্তৃপক্ষকে তাঁদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিয়েছেন বিচারক। তিনি এদিন জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে জানান, তাঁদের কাজে যেন কোনও সন্দেহ তৈরি না হয়। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যেন এটা বুঝতে পারেন যে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হচ্ছে। এরপরেই বিচারক জেল কর্তৃপক্ষের উদ্দ্যেশ্যে আরও বলেন, চিকিৎসার জন্য তো আপনারা এসএসকেএমে-ও পাঠান। সেটাই তো রাজ্যের বেস্ট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। এটা দয়া করে দেখুন। ওঁর চিকিৎতা যেন দ্রুত হয়।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

এসএসিটি প্রতিনিধি দলের সাথে শিক্ষা মন্ত্রীর বৈঠকে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকরা

রাজ্যের প্রায় ১৪৫০০ এসএসিটি-র পক্ষ থেকে নয় দফা দাবি সম্বলিত এক স্মারকলিপি নিয়ে বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করলেন স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন এক প্রতিনিধি দল। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে তৃণমূল ভবনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এই প্রতিনিধি দল।বেতন বৃদ্ধি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, চাইন্ড কেয়ার লিভ, কলেজ সার্ভিস কমিশনের নিয়োগে সহ আরও নয় দফা দাবি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়। গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানান, দাবিগুলি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের আস্বস্ত করেছেন। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, এই প্রথম রাজ্যের কোনও শিক্ষক সংগঠন শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসুর সাথে তাঁদের দাবী দাওয়া নিয়ে বৈঠক করলো। যথেষ্ট ইতিবাচক হয়েছে এই আলোচনা। মন্ত্রী মশায় দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ সহকারে আমাদের দাবীগুলি শুনেছেন। আমাদের দাবীর মধ্যে অনেকগুলো দাবি প্রাসঙ্গিক বলে তিনি নিজেই সহমত হয়েছেন এবং এবিষয়ে নির্দিষ্ট এক আধিকারিককে দায়িত্বও দিয়েছেন যাতে অতি সত্তর এর সমাধান বার করা যায়। গোপাল ঘোষ জানান, তাঁরা আশাবাদী, এবং আগামীদিনে আরো অনেক সমস্যা নিয়ে খুব শীঘ্রই তাঁরা আবার আলোচনায় বসবেন মন্ত্রীর সঙ্গে।প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য এসএসিটি অধ্যাপক ও স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জনতার কথা কে জানান, তাঁরা তাঁদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে সাত জনের এক প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সাথে সাক্ষাৎ করে নয় দফা দাবী সম্বলিত এক স্মারকলিপি পেশ করেন।তিনি আরও জানান, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য ব্রাত্য বসু এই প্রথমবার কোনও শিক্ষক সংগঠনের সাথে সাক্ষাত করেন। তারকনাথ আরও জানান, তাঁদের দীর্ঘদিনের যে সমস্যা, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী দীর্ঘক্ষণ সময় দিয়ে অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শুনেছেন, এবং এ ব্যাপারে যথাযত ব্যবস্তা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তারকনাথ বলেন, শিক্ষা মন্ত্রী তাঁদের প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেছেন সব সমস্যার সমাধান এক্ষনি করা সম্ভব না হলেও, প্রাইরিটি দিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এক এক করে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবেন বলে কথা দিয়েছেন।স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েসন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রেসিডেন্ট তারকনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁদের সামনেই তাঁর দপ্তরের এক আধিকারিককে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রতিনিধি দল ও শিক্ষা দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন করার জন্য। প্রতিনিধি দলের তরফে সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁরা অত্যন্ত খুশি এই বৈঠকে, বৈঠক যথেষ্ট ফলপ্রসু হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী আমাদের দাবিদাওয়া সবিচার পাওয়ার ব্যাপারে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

সওয়াল-জবাবে কেঁদে ভাসালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পিংলার স্কুলে হানা ইডির

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে বসেই ভার্চুয়াল সওয়াল-জবাবে অংশ নিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সেখানে অর্পিতা ফের বলেন, তিনি জানেন না তাঁর দুই ফ্ল্যাটে কারা টাকা রেখে গিয়েছে তা তিনি জানেন না। তবে বিচারপতি জানিয়ে দেন যেহেতু তাঁর ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে তার দায় অর্পিতাকেই নিতে হবে। এদিনও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়।এদিন ইডি পিংলায় পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত স্কুলে হানা দেয়। এই স্কুলের ডিরেক্টর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাই কল্যানময় ভট্টাচার্য। স্কুলটি একেবারের ঝা চকচকে। ১৫ বিঘে জমির ওপর স্কুলটি নির্মাণ করা হয়। বাবলি চট্টোপাধ্যায় ফাউন্ডেশনের নামেই এই স্কুলটি নির্মিত হয়েছে। এসএসসি দুর্নীতির অর্থ এই স্কুল ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইডি।সওয়াল জবাবে প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন কেঁদে ভাসিয়েছেন। তা বলতে দেওয়ার সুযোগ দেন বিচারপতি। পার্থবাবু বারে বারে বোঝাতে চেয়েছেন তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁর ফ্ল্যাটের টাকা যে অর্পিতার নয়, তা বলার সময় কান্নাকাটি করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

৫০ কোটি টাকা কার? পার্থ বলছেন, 'টাকা আমার নয়'

পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা কার? এ যেন রীতিমতো গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্রের খবর, অর্পিতা ইডিকে বলছেন টাকা তাঁর নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানেন। এদিকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জোরের সঙ্গে বলছেন, টাকা আমার নয়। একইকথা তিন বার বলেছেন তৃণমূলের সাসপেন্ডেন্ট মহাসচিব। শুধু তাই নয়, পার্থর দাবি, তিনি টাকা লেনদেন করেন না। এখনও ষড়যন্ত্রের দাবিই করছেন পার্থ। তবে সময়ের জন্য অপেক্ষা করে আছেন।উল্লেখ্য, ২২ জুলাই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহ একাধিক জায়গায় ইডি হানা দেয়। তৎকালীন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার র নানা হলেও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২২ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। কয়েকদিন পর বেলঘরিয়া রথতলায় কামারহাটি পুরসভার পাশে একটি অভিজাত আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাটে ফের হানা দেয় ইডি। তখন উদ্ধার হয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা। এছাড়া ৬ কেজি সোনা, রাশি রাশি রুপোর কয়েন উদ্ধার করে ইডি। কিন্তু এই ৫০কোটি নগদ টাকা কোথা থেকে এল? তার তদন্তে শুরু করে ইডি। এই টাকা নিজের নয় বলেই দাবি অর্পিতার। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলছেন, ওই টাকা তাঁরও নয়। তাহলে ওই ফ্ল্যাটের চাবি কী আর কারও কাছে ছিল? সূত্রের খবর, সেই প্রশ্নও উড়িয়ে দিচ্ছে না ইডি। নাকি তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে পার্থ-অর্পিতা? সমস্ত সম্ভাবনাই ক্ষতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

জুলাই ৩১, ২০২২
রাজ্য

মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সাসপেন্ড করা হল তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তিন দফতরের মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দিল দল। এদিন তৃণমূল ভবনে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থকে সাসপেন্ডে করার কথা ঘোষণা করেছেন। তৃণমূলের মহাসচিব, সর্বভারতীয় তৃণমূলের সহসভাপতি, কার্যকরি সমিতির সদস্য, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্য ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ২২ জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২৩ তারিখ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।এর আগে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল দোষী প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তড়িঘড়ি এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিত্ব ও দলের পদ থেকে সরিয়েও ক্ষান্ত থাকেনি দল, তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল দল। অভিষেক বলেন, আশপাশের তথ্য় উঠে এসেছে। তাতে আমরা মানুষের কাছে বদ্ধপরিকর। নেতার কাছে নয়। বেনিফিট অফ ডাউট দিচ্ছি যাঁদের বিরুদ্ধে অবিচার হচ্ছে তাঁদের। আমরা যাঁরা বসে আছি তাঁদের বিরুদ্ধেও যদি দুর্নীতির অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক জানিয়ে দেন, পরবর্তীতে কার্যকরি সমিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন কে দলের মহাসচিব হবেন।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রিত্ব থেকে, আপাতত দায়িত্বে মুখ্যমন্ত্রী

শেষমেশ মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। শিল্প, তথ্য প্রযুক্তি ও পরিষদীয় দফতরের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৬ দিন আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।পার্থ চট্টোপাধ্যায় ১০ মে ২০১১ তে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন। টানা ১১ বছর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। পার্থ ২০০১-এ বেহালা পশ্চিম থেকে বিধানসভা ভোটে জিতে বিধায়ক হন। তিনি ২০১১-তে বিধানসভার দলনেতা মনোনীত হন। ২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আনেক আগেই কলকাতা হাইকোর্ট পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। সেই সময় আদালতের কথার গুরুত্ব দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপর সিবিআই তাঁকে নিজাম প্যালেসে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত সপ্তাহে ইডি তাঁর বাড়িসহ একাধিক জায়গায় হানা দেয়। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকাসহ মূল্যবান গযনা, দলিল, নথি উদ্ধার করে ইডি। টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পার্থকে গ্রেফতার করে ইডি। বুধবার অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা নগদ সহ, ৬ কেজি সোনা, শয়ে শয়ে রুপোর কয়েন উদ্ধার করা হয়। ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে অর্পিতা স্বীকার করে নেয় তাঁর বাড়িতে উদ্ধার হওয়া টাকা সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এরপর তড়ঘড়ি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পার্থকে বরখাস্ত ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরানোর দাবি তোলে। এরপর মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরানো হয় পার্থকে। এবার দলীয় পদ থেকে অপসারণের পালা।

জুলাই ২৮, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

এসএসসি দুর্নীতি মামালায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী সোমবার ফের তাঁকে ইডি-র স্পেশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ইডি আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।গ্রেফতারের পর জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তারপর তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রীকে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইতিমধ্যে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আটক করেছে ইডি। শুক্রবার সকালে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই থেকে একটানা ২৭ ঘন্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দফায়-দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির সঙ্গে তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন বলে সূত্রের খবর। সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকেই নগদ ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতারের পর ঘণ্টাখানেক কলকাতার রাস্তায় ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় জোকায় ইএসআই হাসপাতালে।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি রিমান্ডে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও তথ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আদালত ২ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রী শারীরিক অবস্থাও ভাল না। সেই বিষয়টিও বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

'নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি'- পার্থ

গ্রেফতার করার পর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় জোকার ইএসআই হাসপাতালে। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি। একথা বলার সময় তাঁর গলায় স্পষ্ট ছিল হতাশার সুর। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সারা কলকাতার রাস্তা ঘুরিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেকার ইএসআই হাসপাতালে। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন এই তদন্তের ক্ষেত্রে কেন দায় নেবে না দল। যা বলার তদন্তে অভিযুক্ত বা তাঁর আইনজীবী বলবেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

শহর কলকাতার নানা পথ ঘুরে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কেন্দ্রীয় হাসপাতালে

কলকাতার সারা রাস্তা ঘুরিয়ে শেষমেশ জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। টানা ২৭ঘন্টা জেরা করার আজ শনিবার সকালে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর নাকতলার বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে কলকাতা শহরের নানা রাস্তা ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয় জোকা কেন্দ্রীয় সরকারের অধিনস্ত ইএসাআই হাসপাতালে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্স-এ নিয়ে যাওয়া হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সুত্রের খবর, এরপর ইডির তরফে দিল্লিতে যোগাযোগ করে সেখানকার নির্দেশেমত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রতিবেদন প্রাকাশের মুহুর্ত অবধি তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে টানা ২৬ ঘন্টা ইডির তদন্তকারীরা, বাড়ল ঘনিষ্ঠের বাড়িতে টাকা উদ্ধারের পরিমান

পেরিয়ে গেল ২৬ ঘন্টা। এখনও রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মন্ত্রীকে। রাতভর অভিযান করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি টাকা, ৫০ লক্ষ টাকার গহনাসহ বিভিন্ন নথি উদ্ধার করেছে। ইডি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় মিলেছে। এই টাকা ও গহনার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতি মামলার যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি।সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহযোগিতা করছে না। শনিবার সকালে ফের অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী। চিকিতসকদের একটা দল পার্থর বাড়িতে যায়। বাড়িতে পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে নেতাজিনগর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলাকালীন তদন্তকারীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শেষমেশ ইডি কী সিদ্ধান্তে পৌঁছয় সেদিকে নজর রাখছে অভিজ্ঞ মহল।এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবের বাড়িতে ইডি হানা দেওয়ায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করে জানিয়ে দিয়েছে টাকা উদ্ধারের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনায় যাঁদের নাম আসছে তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীরা এর জবাব দেবেন। টুইটে কুণাল লিখেছেন, ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম এসেছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

টানা ১৫ ঘন্টা পার্থর বাড়িতে ইডি, চলছে তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, দায় নেবে না তৃণমূল

সকাল সাড়ে ৮টায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৮ জনের ইডি আধিকারিকের দল সেখানে বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে মন্ত্রীকে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আরেকজন ইডির আধিকারিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এর পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। আইনজীবীরা পার্থর বাড়িতে অপেক্ষা করছেন কথা বলার জন্য। এরই মাঝে দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসক এসে মন্ত্রীকে পরীক্ষা করেন।ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম আসছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 22, 2022এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকার পরিমান ২০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে ইডি। মনে করা হচ্ছে এবিষয়ে মন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৫ ঘন্টা মন্ত্রীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম, তাঁরাই জবাব দেবে। অর্থাৎ দল এবিষয়ে দায় ঝেড়ে ফেলল বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

সকাল পৌনে ১১টায় ঢুকে সন্ধ্যের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলায় রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও। তবে দ্বিতীয় দিন দুদফায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে প্রায় সাড়ে ৮ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। প্রায় ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ নিজাম প্যালেস ছাড়েন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এদিন প্রথম দফায় তাঁকে প্রায় ২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছু সময় তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ৪ ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সিবিআইয়ের এসপি রাজীব মিশ্রও এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এসএসসি নিয়োগে উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ওই কমিটির কার্যকলাপের উপর তাঁর কতটা নিয়ন্ত্রণ ছিল তা-ও জানতে চায় সিবিআই। বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার নিয়োগ নিয়েও তাঁর কাছে জানতে চান তদন্তকারীরা।বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে ঢোকেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তারপর নিজের গাড়ি চড়ে নিজাম প্যালেস ছাড়েন মন্ত্রী। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতেও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টেও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও রক্ষাকবচ জোটেনি। সূত্রের খবর, ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করতে পারে সিবিআই।

মে ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal